মিরপুর টেস্টে শক্ত ভিত গড়েও দ্বিতীয় দিনের প্রথম সেশন পুরোপুরি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেনি বাংলাদেশ। তবে শেষদিকে তাসকিন আহমেদের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে প্রথম ইনিংসে ৪১৩ রানে অলআউট হয়েছে স্বাগতিকরা।
শনিবার ৪ উইকেটে ৩০১ রান নিয়ে দিনের খেলা শুরু করে বাংলাদেশ। আগের দিনের ব্যাটিং দৃঢ়তা ধরে রাখার আশা থাকলেও পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রিত পেস আক্রমণে দ্রুত উইকেট হারাতে থাকে টাইগাররা। দ্বিতীয় দিনের দেড় সেশনে মাত্র ১১২ রান যোগ করতেই শেষ ৬ উইকেট হারায় দল।
বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ৭১ রান করেন অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিকুর রহিম। নিজের ৩৯তম জন্মদিনে ১৭৯ বলে খেলা তার ধৈর্যশীল ইনিংসে ছিল ৮টি চার। এটি ছিল তার টেস্ট ক্যারিয়ারের ২৯তম অর্ধশতক। একই সঙ্গে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ৪২টি পঞ্চাশোর্ধ্ব টেস্ট ইনিংসের নতুন রেকর্ড গড়েন তিনি।
সকালে মুশফিককে ভালো সঙ্গ দেন লিটন দাস। শাহিন শাহ আফ্রিদির এক ওভারে টানা তিনটি চার মেরে দারুণ ছন্দে ছিলেন এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার। তবে ইনিংস বড় করতে পারেননি তিনি। মুহাম্মদ আব্বাসের বলে স্লিপে ক্যাচ দিয়ে ৬৭ বলে ৩৩ রানে ফেরেন লিটন।
এরপর দ্রুত ফিরে যান মেহেদি হাসান মিরাজ ও তাইজুল ইসলাম। মিরাজ করেন ১০ রান, আর তাইজুলের ব্যাট থেকে আসে ১৭ রান। মধ্যাহ্নভোজ বিরতির পরপরই শাহিন আফ্রিদির ভেতরে ঢোকা দারুণ ডেলিভারিতে বোল্ড হন মুশফিক। এরপর শূন্য রানে সাজঘরে ফেরেন এবাদত হোসেন।
বাংলাদেশকে চারশর গণ্ডি পার করাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তাসকিন আহমেদ। নিচের সারিতে নেমে মাত্র ১৯ বলে ২৮ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন তিনি। তার ইনিংসে ছিল তিনটি চার ও একটি ছক্কা। মুহাম্মদ আব্বাসকে ছক্কা হাঁকিয়ে দলীয় স্কোর ৪০০ পার করেন এই পেসার।
পাকিস্তানের হয়ে বল হাতে সবচেয়ে সফল ছিলেন মুহাম্মদ আব্বাস। ৩৪ ওভারে ৯২ রান দিয়ে ৫ উইকেট শিকার করেন ডানহাতি এই পেসার। টেস্ট ক্যারিয়ারে এটি তার ষষ্ঠ পাঁচ উইকেট পাওয়া ইনিংস। এছাড়া শাহিন শাহ আফ্রিদি নেন ৩ উইকেট।
0 Comments