Browsing: মেসি

দীর্ঘ দুই দশকের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়া প্রায় সব বড় দলের বিপক্ষে খেলেছেন লিওনেল মেসি। তবে একটি দলের বিপক্ষে কখনোই মাঠে নামা হয়নি তার। অবশেষে সেই অপেক্ষার অবসান হতে যাচ্ছে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে।

বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নেমে দারুণ এক অগ্নিপরীক্ষাই দিতে হয়েছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে। মাঠের ফুটবলে প্রথমার্ধে আলবিসেলেস্তেরা লিড নিলেও দ্বিতীয়ার্ধে সমতা ফিরিয়ে সুইসরা ম্যাচ জমিয়ে তোলে।

কাগজে-কলমে আর্জেন্টিনাই ফেভারিট। তবে নকআউট ম্যাচে চমক সবসময়ই সম্ভব।

আর্জেন্টিনা জয়ের সম্ভাবনা বেশি—দলের ভারসাম্য,অভিজ্ঞতা এবং লিওনেল মেসি-র নেতৃত্ব আর্জেন্টিনা দারুন ছন্দে রয়েছে । বিভিন্ন পরিসংখ্যানভিত্তিক মডেলও আর্জেন্টিনাকে প্রায় ৬৯% সম্ভাবনায় এগিয়ে রেখেছে।

ডালাস স্টেডিয়ামে ‘জে’ গ্রুপের শেষ ম্যাচে প্রথমার্ধে জিওভানি লো সেলসো ও লাওতারো মার্তিনেজের গোলে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে ছিল লিওনেল স্কালোনির দল। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ছিল আর্জেন্টিনার হাতেই। এমনকি ৪৮ মিনিটে লো সেলসো আরো একটি গোল করলেও অফসাইডের কারণে সেটি বাতিল হয়ে যায়।

অস্ট্রিয়ার বিরুদ্ধে জোড়া গোল করে মেসি বিশ্বকাপের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় শীর্ষস্থান অর্জণ করেছেন। ১৮ গোলের মালিক মেসি এই তালিকায় পিছনে ফেলেছেন জার্মান তারকা মিরোস্লাভ ক্লোসাকে।

ম্যাচের ৩ মিনিটে বক্সের ভেতর ভালো সুযোগ পেয়েছিলেন আর্জেন্টিনা স্ট্রাইকার লাওতারো মার্তিনেজ। অস্ট্রিয়ার দুই ডিফেন্ডারের চাপে বল রাখতে পারেননি।
মার্তিনেজকে বক্সের ভেতর ফাউল করেছেন অস্ট্রিয়ান ডিফেন্ডার স্তেফান পশ। ভিআর দেখে পেনাল্টি দেন রেফারি। তবে স্পট কিক থেকে গোল করতে ব্যর্থ হন মেসি। সাইড পোস্টের বাইরে দিয়ে মারেন তিনি।