ইন্টার মায়ামি ও এফসি সিনসিনাতির ম্যাচে শেষ ১০ মিনিটে হলো তিনটি গোল। প্রথমে পিছিয়ে পড়া, এরপর এগিয়ে যাওয়া—নাটকীয় এই লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত ২-২ গোলে ড্র করেছে লিওনেল মেসির ইন্টার মায়ামি। ম্যাচের নির্ধারিত সময়ের শেষ মিনিটে গোল করে দলের হার এড়ান রিকুয়েলমে ফিলিপ্পি।
স্পেনের রাজপরিবারের কাছ থেকে ক্রীড়াক্ষেত্রে অবদানের জন্য ‘প্রিন্সেস অব আস্তুরিয়াস অ্যাওয়ার্ড’ গ্রহণ করে যুক্তরাষ্ট্রে ফেরার পর এটি ছিল মেসির দ্বিতীয় ম্যাচ। তবে টানা দ্বিতীয় ম্যাচেও গোল কিংবা অ্যাসিস্টের দেখা পাননি আর্জেন্টাইন মহাতারকা। দলও জয়ের মুখ দেখেনি।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত ম্যাচের প্রথম ৬০ মিনিট ছিল গোলশূন্য। এরপর ৬১ মিনিটে লুইস সুয়ারেজের গোলে এগিয়ে যায় মায়ামি। তবে ৮০ মিনিটে কেনজি এমবোমা ডেমের গোলে সমতায় ফেরে সিনসিনাতি।
এরপর ম্যাচের ৮৬ মিনিটে স্যামুয়েল গিডির গোলে এগিয়ে যায় সিনসিনাতি। তখন মনে হচ্ছিল, হার নিয়েই মাঠ ছাড়তে হবে মেসিদের। কিন্তু শেষ মুহূর্তে ম্যাচের চিত্র পাল্টে দেন ফিলিপ্পি।
৯০ মিনিটে বক্সের বাঁ প্রান্ত থেকে দূরের পোস্ট লক্ষ্য করে বাঁকানো শটে বল জালে পাঠান তিনি। মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) নিজের প্রথম গোল করেই মায়ামির জন্য গুরুত্বপূর্ণ এক পয়েন্ট নিশ্চিত করেন এই ফুটবলার।
এর আগে নিউইয়র্ক রেড বুলসের বিপক্ষে ম্যাচে ভ্রমণক্লান্তির কারণে দ্বিতীয়ার্ধে বদলি হিসেবে মাঠে নেমেছিলেন মেসি। সেদিন তাঁর দল ২-০ গোলে হেরেছিল। সিনসিনাতির বিপক্ষেও গোল কিংবা অ্যাসিস্ট করতে পারেননি আটবারের ব্যালন ডি’অরজয়ী এই তারকা।
এই ড্রয়ের পর এমএলএসের ইস্টার্ন কনফারেন্সের পয়েন্ট তালিকায় তৃতীয় স্থানে থাকা মায়ামির সামনে গুরুত্বপূর্ণ সমীকরণ অপেক্ষা করছে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা নিউ ইংল্যান্ডের পয়েন্ট ৫৮, যা মায়ামির চেয়ে দুই বেশি। দুই দলের হাতেই রয়েছে আরও দুটি করে ম্যাচ।
পরবর্তী ম্যাচে নিউ ইংল্যান্ড রেভোলিউশনের মাঠে খেলতে যাবে মেসির দল। ইস্টার্ন কনফারেন্সের দ্বিতীয় স্থান নিশ্চিত করার পাশাপাশি এমএলএস কাপ প্লে-অফে দ্বিতীয় সিড পাওয়ার লড়াইয়েও ম্যাচটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
0 মন্তব্য