Browsing: কৃষক

ব্রির উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগ উদ্ভাবিত এ জাতটি দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের হাওর এলাকার কৃষকদের অন্যতম বড় সমস্যার সমাধানের লক্ষ্য নিয়ে তৈরি করা হয়েছে। এ অঞ্চলে আগাম বপন করলে শীতের কারণে ধানের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে, আর দেরিতে রোপণ করলে ফসল কাটার আগেই আকস্মিক বন্যায় তলিয়ে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়।

এ বছর লালপুরে পাটের আবাদ হয়েছে ৮ হাজার ৬৬৫ হেক্টর জমিতে, যা নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা ৭ হাজার ৫৭০ হেক্টরের তুলনায় ১ হাজার ৯৫ হেক্টর বেশি। 

এ বছর অধিকাংশ পাটগাছের উচ্চতা স্বাভাবিকের তুলনায় ২ থেকে ৫ ফুট কমেছে। ফলে প্রতি বিঘা জমিতে গড়ে ৪০ থেকে ৬০ কেজি পর্যন্ত আঁশ উৎপাদন কমেছে। সাধারণত পাটগাছের উচ্চতা ৭ থেকে ১৩ ফুট হলেও এবার অনেক ক্ষেত্রেই কাঙ্ক্ষিত উচ্চতা অর্জিত হয়নি।

এই অঞ্চলের রংপুর, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট ও নীলফামারী জেলা থেকে গ্রীষ্মকালীন সবজি স্থানীয় বাজারে প্রচুর পরিমাণে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়াও, প্রতিদিন রাজধানীসহ দেশের অন্যান্য এলাকায় ট্রাকযোগে পাঠানো হচ্ছে।

 মৌসুমের শুরুতে, অর্থাৎ পাট রোপণের পর থেকেই টানা অতিবৃষ্টির কারণে পাটগাছের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হওয়ায় আঁশের উৎপাদন কমেছে। এই পাট থেকে উৎপাদন ব্যয় তুলতে পারবেন কি না, তা নিয়ে উদ্বেগে রয়েছেন কৃষকরা।

 সার, সেচ, কীটনাশকসহ সকল উপকরণের দাম বাড়ায় ফসল উৎপাদনের ব্যয় বাড়ছে। তাই ফসল সংরক্ষণের মাধ্যমে ন্যায্য মূল্য নিশ্চিতসহ কৃষকের জীবন-জীবিকা রক্ষায় জোরালো দাবি উঠেছে।